“ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগানো যায়, তারা তো বেহুঁশ” – পাকিস্তানের নির্বাচকদের সমালোচনায় সালমান বাট
বেশ কিছু নির্বাচন নিয়ে অখুশি প্রাক্তন ওপেনার
আপডেট করা - Oct 14, 2022 12:33 pm

প্রাক্তন পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান বাট পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২২-এর স্কোয়াড সম্পর্কে একটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় নির্বাচকদের উপর প্রচণ্ড ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন আপের একটি প্রধান সমস্যা হল তাদের সংগ্রামী মিডল অর্ডার যা ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করতে পারছে না। ইফতিখার আহমেদ, খুশদিল শাহ, আসিফ আলিরা সবাই ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। পরিবর্ত হিসাবে খেলা হায়দার আলি বা মহম্মদ হারিসও সমস্যার সমাধান করতে পারেননি।
দুঃখের বিষয়, পাকিস্তান সম্প্রতি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের হোম সিরিজ ৩-৪ ব্যবধানে হেরেছে এবং তার আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এশিয়া কাপ ২০২২-এর ফাইনালে হেরেছে। চলমান নিউজিল্যান্ড ত্রিদেশীয় সিরিজে তারা জয়ী হলেও তাদের মিডল অর্ডারের ধারাবাহিকতার অভাব আরও একবার সামনে এসেছে। যদিও পাকিস্তান ম্যানেজমেন্ট তাদের মিডল অর্ডারের উপর ভরসা রাখছে।
সালমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২২-এর জন্য মূম স্কোয়াডে নির্বাচিত এবং রিজার্ভ খেলোয়াড়দের নিয়ে খুশি নন এবং এই নিয়ে আলোচনা চলার সময় এক সাংবাদিককে তিনি একটি বর্বর উত্তর দিয়েছেন।
মহম্মদ হারিসকে নেওয়ায় খুশি নন বাট
বাট মনে করেন যে মহম্মদ হারিসের দ্বিতীয় উইকেটকিপার-ব্যাটর হিসাবে দলের সঙ্গে যাওয়া যুক্তিসঙ্গত নয়। রিজার্ভ তালিকায় ফাখার জামানের নির্বাচিত হওয়াকেও প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন তিনি। টি-টোয়েন্টিতে হারিসের ফর্ম সম্পর্কে বিশদভাবে আলোচনা করেছেন বাট।
“দ্বিতীয় উইকেটকিপার মহম্মদ হারিস রিজার্ভে আছে। ফাখার জামানও রিজার্ভে আছে, সেও ফর্মে নেই। দাহানিকেও নেওয়া হয়েছে। হারিসকে বেছে নেওয়া হয়েছে অথচ সে ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টিতে পাঁচ থেকে ছয়টি ম্যাচ খেলেছে… এমনকি তার ১৫ স্কোরও নেই। সে এক ম্যাচে তিনটি ক্যাচ ফেলেছে,” ক্রিক ব্রিজ ইউটিউব চ্যানেলে একটি আলোচনার সময় বাট বলেছেন।
আলোচনার আয়োজক ব্যঙ্গাত্মকভাবে বলেছিলেন যে নির্বাচকরা ঘুমাচ্ছেন এবং বাটের বর্বর জবাব ভাইরাল হয়ে গেছে। “একজন ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগানো যায়। তারা তো বেহুঁশ,” সাংবাদিককে জবাব দেন বাট।
২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য পাকিস্তানের দল: বাবর আজম (অধিনায়ক), শাদাব খান (সহ-অধিনায়ক), আসিফ আলি, হায়দার আলি, হারিস রউফ, ইফতিখার আহমেদ, খুশদিল শাহ, মহম্মদ হাসনাইন, মহম্মদ নাওয়াজ, মহম্মদ রিজওয়ান, মহম্মদ ওয়াসিম, নাসিম শাহ, শাহীন শাহ আফ্রিদি, শান মাসুদ, উসমান কাদির।
রিজার্ভ: ফাখার জামান, মহম্মদ হারিস, শাহনাওয়াজ দাহানি।