আফগানিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট পাকা করে ভারতের আশাও শেষ করে দিল পাকিস্তান
আপডেট করা - Sep 7, 2022 11:31 pm

নাসিম শাহের শেষ ওভারে পরপর দুই বলে দুই ছয়। আশা শেষ আফগানিস্তানের। আপ সেই ১২ রানটাই এবারের মতো এশিয়া কাপ থেকে ভারতকে বাইরের রাস্তাটাও দেখিয়ে দিল। গোটা বিশ্বের এদিন চোখ ছিল েই ম্যাচের দিকে। ভারতীয় দলের তো বটেই। মাত্র ১২৯ রান নিয়ে আফগানিস্তান বোলাররা লড়াইটা চালিয়েওছিল অসাধারণ। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। লড়াইটা হাড্ডহাড্ডি চললেও, শেষ বাজিটা মারল পাকিস্তানই। মানসিক দৃড়তার অসাধারণ পরিচয় দিয়ে নাসিম শাহই ম্যাচটা বের করে নিয়ে চেলে গেলেন। ১ উইকেটে আফগানিস্তানকে হারিয়ে দিল পাকিস্তান।
এশিয়া কাপের মঞ্চে ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকরা তো বটেই, এদিন বোধহয় ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদেরও নজর ছিল এই ম্যাচের দিকে। পাকিস্তানকে আফগানিস্তান যদি হারিয়ে দিতে পারে, তবে ভারতের ফের একটা আশা দেখা দেবে। রশিদ খানরা লড়াইটাও করেছিল দুর্ধর্ষ। ১২৯ রান নিয়ে পাকিস্তানকে রীতীমত নাজেহাল করে তুলেছিল তারা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেই আসিফ আলিই ম্যাচ বের করে নিয়ে চলে গেলেন। ভারতেরও আশা শেষ হয়ে গেল।
১ উইকেট নিয়ে এবং ৩৫ রান করে ম্যাচের সেরা হয়েছেন শাদাব খান
এবারের এশিয়া কাপে পাকিস্তান বনাম আফগানিস্তান ম্যাচটাই ছিল সবচেয়ে বড় ম্যাচ। অন্তত ভারতের কাছে তো এদিনের ম্যাচটাই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেই ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাবর আজম। এবারের এশিয়া কাপে এখনও পপর্যন্ত যারা পরে ব্যাটিং করেছে তারাই ম্যাচ জিতেছে। সেই মিথটা ভাঙতে চাননা বাবর আজমও। শুরু থেকেই মাঠে ছিল পাকিস্তান বোলারদের দাপট। আফগান ব্যাটারদের বেশীক্ষণ মাঠে থাকতেই দেননি তারা।
UNBELIEVABLE FINISH!!
Should have ended it earlier but its good to know that it ended well by great efforts of SHADAB , IFTIKHAR and NASEEM ofc🫶🏻 Great bowling by afghanis Todayy 👍 Congratulations team #Pakistan Now in for the finals✨#PAKvAFG @TheRealPCB pic.twitter.com/iEqUOgXZEJ— Saeed Ajmal (@REALsaeedajmal) September 7, 2022
Naseem Shah "I said to the non-striker, let's believe we can do this, we can score the runs. I changed my bat as I wasn't happy with my bat and that worked" #AsiaCup2022 #AFGvsPAK
— Saj Sadiq (@SajSadiqCricket) September 7, 2022
Well played @ACBofficials.. Really wished you win this match given the circumstances your country is going through. All the very best for rest of the tournament and also for the world cup. #AFGvsPAK pic.twitter.com/0OmxSST7dK
— Amit Mishra (@MishiAmit) September 7, 2022
Hearth break for Afghanistan 💔@fazalfarooqi10 conceded two sixes in two balls as Afghanistan lost the match by 1 wicket. 😣#AfghanAtalan | #AsiaCup2022 | #AFGvPAK pic.twitter.com/7eJQlxRcPv
— Afghanistan Cricket Board (@ACBofficials) September 7, 2022
https://twitter.com/iShaheenAfridi/status/1567568664974573570
৩৬ রানের মধ্যেই হাসনাইন আফগানিস্তানের ওপেনিং পার্টনারশিপ ভেঙে দিয়েছিল। রহমনুল্লাহ গুরবাজ ও জারদানের উইকেট তুলে নিয়ে নিয়ে আফগানিস্তানের ব়ানের রাস্তাটা বন্ধ করে দিয়েছিলেন হারিস রওফ। আর সেটাই বোধহয় পাকিস্তানের জয়ের ভিতটাও তৈরি করে দিয়েছিল। ইব্রাহিম জারদানের ৩৫ রান ছাড়া এদিন আর কোনও আফগানিস্তান ক্রিকেটারই বড় রান পেতে পারেননি। সকলেই ছিলেন ক্রিজে কিছুক্ষণের অতিথি। শেষের দিকে নেমে রশিদ খানের কয়েকটা বড় ইনিংসেই আফগানিস্তান ১২৯ রানে পৌঁছয়।
Adrenaline pumped up to the max, only Pakistan cricket can provide you with that level of excitement. What a game team, Chaa gae 👏🏼🇵🇰
Special credits to @iNaseemShah @76Shadabkhan and @IftiAhmed221 👍🏼#PAKvAFG— Wahab Riaz (@WahabViki) September 7, 2022
What a game of cricket. Congratulations team Pakistan. Or kuch nah kahna bass @iNaseemShah you beauty.@TheRealPCB #PAKvAFG #NaseemShah
— Junaid khan (@JunaidkhanREAL) September 7, 2022
https://twitter.com/bbctms/status/1567567807478484992/photo/1
Unbelievable!!
What a match— Shoaib Akhtar (@shoaib100mph) September 7, 2022
পাকিস্তানের সামনে কম রানের লক্ষ্য। এই ম্যাচ যদি আফগানিস্তানকে জিততে হয় তবে বোলিংয়ে বিরাট চমক দেখাতে হবে। রশিদ খানরাও কিন্তু এদিন প্রস্তুত ছিলেন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এই কম রান নিয়েই মোকাবিলা করার। শুরু থেকেই ফারুকি, ফজরহকরা ছিলেন দুর্ধর্ষ মেজাজে। ৪৫ রানের মধ্যেই পাকিস্তানের টপ অর্ডারকে শেষ করে দেয় আফগান বোলিং। বাবর আজম এদিন রানেপ খাতাই খুলতে পারেননি। রিজওয়ান করেন ২০ রান এবং ফাখর জামন ৫ রানেই সাজঘরে ফিরে যান। এই পরিস্থিতিতে ক্রমশই চাপ বাড়াতে থাকে আফগানিস্তান। তিনটি করে উইকেট তুলে নেন ফারুকি ও ফরিদ। রশিদের শিকার ২ উইকেট।
যদিও শাদাব ও ইফতিকার আহমেদ একটা পার্টনারশিপ গড়ে তুলেছিলেন। তাতে ভর করেই ফের ম্যাচে ফেরে পাকিস্তান। কিন্তু রসিদ খানের মোক্ষম সময়ে এই পার্টনারশিপ ভাঙাটা ফের ম্যাচ পাকিস্তানের হাতের বাইরে নিয়ে চলে যায়। আর আসিফ আলি সাজঘরে ফিরতে তো পাকিস্তানের হার নিশ্চিত অনেকেই ভেবে ফেলেছিল। কিন্তু ক্লাইম্যাক্সটা তখনই বাকি ছিল। শেষ ওভারে দরকার ছিল ১২ রান। সেই সময়ই নাসিম শাহের পরপর দুই বলে দুটো ছয়ে আফগানিস্তানের সব আশা শেষ। আফগানিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে পাকিস্তান।